Powered By Blogger

শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯

উপরে নীল সমুদ্র
ডঃ সুজাতা ঘোষ

বিস্তারিত:
www.banglasahittos.blogspot.com
বহুদূর থেকে ভেবেছিলাম মহা সমুদ্র!
কিছু না ভেবেই নিজেকে ছুঁড়ে দিলাম;
প্রথমে খাবি খেলাম, পরে ঢোক গিললাম
মাথার উপর কচুরিপানা, পাশে সবুজ শ্যাওলা।

গোল গোল ঘুরে চলেছি বহুকাল ধরে
চারপাশের লোক হাত নেড়ে কিছু বলে, মুখে হাসি টেনে।
আমি হাসি, তাদের ভালোলাগায় ধন্য হয়েছি ভেবে।
পরে বুঝতে পারি, ওরা হাসে আমাকে নিয়ে।

পথ হারিয়ে ফেলেছি, বহু সময় এই বৃত্তাকারে।
আর কি কোন রাস্তা নেই বের হওয়ার?
এই পচা পুকুর, জংলি গাছ, উপরে নীল সমুদ্র।
সূর্য ওঠে, চাঁদ হাসে, আমিও হাসি
ধ্রুবতারা শুধু জানে সব কথা।

একদিন খুব বৃষ্টি নামল ঝাপসা করে
জল মিশে গেল মাটির কোলে।
সারারাত কি উথাল – পাতাল
ব্যাঙগুলো কক কক
সাপেরা হাঁ করতেই কি চিৎকার
বেজিতেও তাকিয়ে আছে এক দৃষ্টিতে।

ভোর হয়েছে বোধ হয়, কচুরি ফুলের সারা গায়ে
এখনো বৃষ্টির শেষ ছোঁয়া লেগে,
সূর্য উঠছে আস্তে আস্তে উপরে,
আজ আমার নতুন সকাল।
আমি শিউলি ফুলের মাথায় পা রেখেছি,
এবারে এগিয়ে যাব
উপরে নীল সমুদ্র – নীল আকাশ।।

০   -------------------   ০

সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৯

শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯

নগদ এজেন্ট পেতে যোগাযোগ করুন ।

দিনে দশ হাজার টাকা আয় করতে হলে নগদ এজেন্ট নিতে হবে ।
এজেন্ট নিতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇
https://banglasahittos.blogsp
ot.com/2019/09/blog-post_10.html?m=1



বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে




বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৯

রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৯

আমেরিকান স্কুলার বাংলা অনুবাদ



আমেরিকান স্কুলার বাংলা অনুবাদ পেতে নিচের লিঙ্কে দেখুন 👇👇👇https://banglasahittos.blogspot.com/2019/10/blog-post.html?m=1

আমেরিকান স্কুলার বাংলা অনুবাদ পেতে নিচের লিঙ্কে দেখুন 👇👇👇👇👇
👉Www.banglasahittos.blogspot.com👈






বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৯

বিভিন্ন সাহিত্য পত্র পত্রিকায় ইমেইল এবং লেখা পাঠানোর ঠিকানা পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇👇👇👇👇👇👇👇👇



একঝাঁক পাখি
প্রতিভা দে


একঝাঁক পাখি যখন উড়ে যায় বুকে।
কখন নীল কখন সবুজ,
কখন ধুকে ধুকে।

বিস্তারিত👇

www.banglasahittos.blogspot.com 

চেয়ে থাকা সেই দিকে
কোথায় কি গেছে রেখে,
হয়তো আকাশ, হয়তো বিকাশ,
নয়তো কান্না চারিদিকে,
সব যেন এক জীবন কাহিনী
বয়ে চলে সেই বাহিনী,
বেলা শেষে ধরা দেয়
এই এক অধরা পাখি
যাকে আমি বেঁধে রাখি
সারাটি জীবন ধরে।
আপণ করে।


🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄


সমাজের চালাকীটা পরিবর্তন করা হোক
©অঞ্জলি দেনন্দী, মম

প্রাপ্ত বয়স্কা নারীর প্রতি মাসের ঋতুস্রাব জীবন প্রবাহকে অব্যাহত রেখেছে। অথচ পুরুষতান্ত্রীক সমাজ নিয়ম করে দিল- এই সময় নারী পূজো করতে পারবে না। পুরুষের মধ্যেই এই অধিকার তাই বহাল হল। নারীর এই সৃষ্টি করার  ক্ষমতা যা প্রকৃতি প্রদত্তা তা ও নাকী অশুচি? ! যা সৃষ্টিকে ধরে রেখেছে তা তো চির পরম শুচি। ঈশ্বর এই মহাজগতের সৃষ্টি করেছেন নাকী ঈশ্বরী? মন্দিরে আজও কেবল পুরুষদের ও বৃদ্ধাদের সেবা কার্যে নিযুক্ত করা হয়। আশ্রমেও তাই। যখন আর তাদের ঋতুস্রাব হয় না। অথচ ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব মা শ্রী সারাদামনি দেবীকে এই নীতির বিরুদ্ধে বলেছিলেন। আর তাঁর শুদ্ধ বিবেচক ধর্ম দ্বারা নিজের সহধর্মিণীকে দিয়ে ঋতুস্রাবের দিনেও তাঁর সেবা করাতেন। কিন্তু আজও তাঁর কুসংস্কারহীন মতাদর্শ ধর্ম পথে পালিত হয় না। তাঁর উদার নীতি কার্যকরী হয় না। তিনি তো পরিস্কার ভাবে এই প্রথা বন্ধ হওয়ার জন্য নিজের স্বচ্ছ ও বাস্তব বুদ্ধি ও যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করেছিলেন। এসো এবার পাল্টাই!


🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄🎄

বিভিন্ন সাহিত্য পত্র পত্রিকায় ইমেইল এবং লেখা পাঠানোর ঠিকানা পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন   👇👇👇👇👇👇👇👇👇


https://banglasahittos.blogspot.com/2019/10/blog-post_16.html?m=1









নাইম শাহ্ কবিতা পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন ।👇👇👇

https://banglasahittos.blogspot.com/2019/11/blog-post_4.html?m=1










চিওরঞ্জনের কবিতা
নিচে ক্লিক করুন 👇👇👇
https://banglasahittos.blogspot.com/2019/10/blog-post_14.html?m=1


অথবা👇
👉শিশুদের কষ্ট চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু👈








নিচের লিঙ্কে বিভিন্নভ সাহিত্য পত্রিকার ইমেইল দেওয়া আছে । ক্লিক করুন ।👇👇👇👇


https://banglasahittos.blogspot.com/2019/10/blog-post_16.html?m=1


নিচের লিঙ্কে বিভিন্নভ সাহিত্য পত্রিকার ইমেইল দেওয়া আছে । ক্লিক করুন ।

👇👇👇👇👇👇👇👇
Www.banglasahittos.blogspot.com



https://banglasahittos.blogspot.com/2019/10/blog-post_16.html?m=1


সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

K

NRC

প্রতিমা রায়বিশ্বাস

অফিস টাইম।   ভীড়ঠাসা অটোর খুপরিতে বসে আছি। 
এটুকু স্বাধীনতার জন্যই তো বলেছিল মা 
জলের দরে বেঁচেছিল তোর  বাবা বাপ-ঠাকুরদার ভিটে জমি । 
অটো চলছে। আর সামনের স্টপেজ আসতেই পিছনে উঠে পড়লো দেশ।

ওদিকে অনেক জায়গা দাঁড়াবার।
 তবু আমার ভাঁজ হওয়া হাঁটুতে বইছে ঘৃণাটে গরম, 
 উচ্ছিষ্ট  শক্ত রাজনীতি আর আমার শরীর ভেদ করে ঢুকে যাচ্ছে হৃদপিন্ডে 
 উদ্ধত লিঙ্গ শিরদাঁড়া ফুড়ে ঢুকে যাচ্ছে  উদ্বাস্তুর মাথায়। 
শেষ হবার আগে একটি বার আমি তাকিয়ে  দেখতে চাইলাম দেশের মুখখানা। 
কিন্তু এ দ্রুত হাওয়া...আমার চোখে বালি খচখচ। বালি আর বালি খচখচ। এত এলোপাথাড়ি হাওয়া।

অটোর ভিতর আমার সামনেই বসেছিল এক দিদিমণি।
চোখে সানগ্লাস আর শাঁখাসিঁদুরে লেপা হয়ত সেও এক মা।
আমি দেখলাম ওনার ত্বক বেয়ে নেমে যাচ্ছে একটি ধানক্ষেত,নেমে যাচ্ছে উছল একটি  কিশোরী,
দেখলাম,এক আকাশ মেঘ নিয়ে হঠাৎ  বর্ষায় কাঁপছে দলে দলে  কৃষ্ণচূড়া। 

আমি দেখছি সেই মেয়েটি... সেই মেয়েটির এখনও সেই শাসন...
 অভিভাবক শুধু  পাল্টায় অনুষ্ঠানে সাক্ষী থাকে আগুন  । 
সেই মেয়েটি এইতো উঠেছে অটোয় 
দুপাশে দুটো বেনী,কলার থেকে আসছে পাঠ্যবইয়ের গন্ধ।

 ভীড়ের ভিতর সেই মেয়েটিও বুঝতে পারলো দেশ ঠেকিয়ে  আছে শিব শুধু পোশাক-কাটা বিভেদ। 
বুঝেছি আমি ,সহেছি আমি ,বলেছি আমি দেশ। 
এদিকে দাঁড়াও শরীর আমার এই তো সময়  
শুধু প্রজন্ম  ক’রো না নিঃশেষ।


উত্তর 24পরগনা 

রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

Kobita

  মন্দ বাসায় ভালোবাসা
        -সৌজন্য

তুমি যক্ষপ্রিয়ার ডাকহরকরা হয়ে
আমায় গেছ ভুলে,
আচ্ছা মেঘ তুমি ভালোবাসা দেখোনা
আমার দুই নয়নের জলে?
যক্ষের মতো আমিও যে দুঃখী
হয়তো বা তার চেয়েও বেশী,
তবে তোমার দু'ফোঁটা শান্ত্বনা পেলে
আমি তাতেই যে হ‌ই খুশী।
আমার চোখের অবিরাম কষ্টধারা
গলাতে পারেনা তোমার মন,
তবে যক্ষরাজের ফোঁপানো কান্না
হাসিতে বদলানো তোমার পণ।
জানো মেঘ? আমিও কাঁদি, অন্তরে ফোঁপায়
কিন্তু আমার চোখের পাতা মুছিয়ে দেবে
তা তোমার সময় কোথায়।
তবুও আমার বিরহী আর্তনাদে
যদি এক পলকের দাও সাড়া,
তবে আমার অশ্রু সিঞ্চনে দেখতে পাবে
বেদনাকাতর দুটি নয়ন শুধুই
তোমার ভালোবাসায় পাগলপারা।।


বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০১৯

লিমেরিকঃ গল্প শোনা 
তূয়া নূর

রাতের বেলা মায়ের কাছে গল্প শুনে রেশমা।
রেশমা বলে, এটুকুতেই গল্প হলো শেষ মা??
গল্প শোনার সময় ফুরায়,
ঘুমের ভেতর স্বপ্ন কূড়ায়। 
রেশমা বলে, গল্প তোমার রেশ রেখে যায় বেশ মা!


11513 centaur way 
Lehigh Acres, Fl 33971, USA

Kobita

রক্তভেজা জামা "_____পারভেজ অালী 



[০৭/০৬/১৯]
দূরে -অদূরে, বহুদূরে
দেশকে বাঁচানোর জন্য ~
ঝাঁপিয়ে পরেছিলাম মুক্তিযুদ্ধে;
ঘাতকের বুলেটে'র অাঘাতে-
ছন্নছাড়া হয়েছিল বুকটা,
রক্তে ভিজে গেছিল ছোট ভাই'র জামাটা।
ঘুম নেই, চোখে ঘুম নেই মায়ের
ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে অাছে মা অন্ধকারে
এক পলক চোখে'র দৃষ্টিতে চেয়ে অাছে~
সেই মা জননী অামাদের দিকে;
কোন দিকে থেকে না জানি মিলিটারি ঢুকে পড়ে,
তাই মা জননী অামার দাঁড়িয়ে আছে -
ঘরের বাইরে অন্ধকারে।
২৬ই মার্চে, বঙ্গবন্ধুর ডাকে -
ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধে;
দেশের তরে, মায়ের ডাকে-
দেশকে বাঁচানোর জন্য অস্ত্র ধরেছিলাম।
পাকিস্তানি রাজাকারদের হাত থেকে -
অামার ধর্ষিতা মা-বোনদের মুক্ত করেছিলাম;
সারা শরীরটা ভিজে গেছিল তখন রক্তে অামার।
কত পরিবারকে অসহায় করেছিল তারা
কত মায়ের বুক থেকে সন্তানদের ছিনিয়ে নিয়ে-
মায়ের বুকটা খালি করেছিল তারা,
কত মা-বোনদের ধর্ষন করে-
এ রক্তমাখা অবস্থায় ফেলে গেছিল রাজাকারেরা;
ঘাতকদের বুলেট'র অাঘাতে-
ছন্নছাড়া করেছিল মায়ের বুকটা;
ছেলের রক্তে ভিজে গেছিল মায়ের জামাটা।
মাকে রেখে ঘরের বাইরে -
ছুটে গেছিলাম যুদ্ধে,
অস্ত্র হাতে মাথা উঁচু করে ~
পাকিস্তানি রাজাকারদের বিরুদ্ধে -
তুলে নিয়েছিলাম অস্ত্র হাতে;
বঙ্গবন্ধুর ডাকে, ২৬মার্চ রাতে-
ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধে।
সেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী'রা -
রক্তাক্ত করেছিল অামার মা-বোনদের,
জীবন'কে বাজী রেখে ঝাঁপিয়ে পড়ছিলাম -
মোরা মুক্তিযুদ্ধে।
রক্ষা করেছিলাম অামরা ~
শত শত মা-বোন দের।
কত নির্যাতন করেছিল তারা অামাদের,
যুদ্ধে শেষে বিজয় ছিনিয়ে এনেও -
ফিরে যেতে পারিনি মায়ের কোলে,
কি জবাব দিবো মাকে বলে?
অবশেষে রক্তভেজা ভায়ের জামা নিয়ে ~
ফিরে এসেছিলাম অামার মায়ের কোলে।
কষ্টে অর্জিত অামাদের এ স্বাধীনতা
৩০ লক্ষ্য জীবন দিয়ে গড়ে তুলেছি~
রক্তভেজা এ সোনার বাংলা,
তাই তো বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে-
দাঁড়িয়ে আছি এখন অামরা;
শত শত রক্ত দিয়ে অামরা অর্জন করেছি-
এ লাল-সবুজের বাংলাদেশ টা।
_______________________________
নামঃ মোঃ পারভেজ অালী
ইংরেজি বিভাগ,
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা, বাংলাদেশ।

Kobita

কেনো খুঁজিস অকারণ
 
©মম


> চাঁদটা একা একা একা...
> সারারাত ধরে খোঁজে আর খোঁজে...
> আরেক চাঁদে।
>             পায় না তার দেখা।
> আঁধারে একা একা একা.....
>       শুধুই কাঁদে......
> অলক্ষে।
> তার অশ্রু জোৎস্না হয়ে,
>         নেমে আসে
> জগতের আঁধার বক্ষে।
> অবশেষে ক্লান্ত হয়ে
>       দিবসে চোখ বোজে।
> দিবসের স্বপ তার বোজা চক্ষে।
>             আমি তখন তাকে
> কাছে ডাকি, অন্তরের ডাকে।
> আমার হৃদয় স্পন্দন ধ্বনি
>           জাগায় তাকে।
>     তখন সন্ধ্যা নামে।
>          চাঁদ আলিঙ্গনে ত্রিযামে।
> আমিও হয় আনমনি।
>         বাড়ে নিশা।
> নিদ্রা আমার নয়নে আসে।
> চাঁদের দিবা স্বপ্ন তখন আমার আঁখিতে ভাসে।
>         চাঁদেরে তখন ধ্রুব দেখায় দিশা।
> তারা যত রাশে রাশে রাশে.........
>         চাঁদেরে ভালোবাসে।
> ওদের দেখে দেখে দেখে......
> আঁধার তৃপ্তিতে হাসে আর হাসে........
> আমার স্বপ্ন তখন না থেমে
> এগিয়েই চলে নব নব নব প্রেমে.......😊

Kobita





ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
প্রভু তুমি বিশ্বের;
এক মাত্র সহায়
তুমি নিঃস্বের।
ভক্ত হৃদয় ভজনালয়
সেইতো বৃন্দাবন;
তোমারে স্মরিলে হয় সর্ব
পাপ‌ বিমোচন।


সুরঞ্জীত্ গাইন 

বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৯

(কবি জুনায়েদ আল হাবিবের কবিতা)

বলে দিও তাঁরে- জুনায়েদ আল হাবিব


যদি দেখা হয় কোনো কালে
বলে দিও তুমি  তাঁরে।
শত জনমের প্রেম রেখেছি
দিব বলে শুধু তাঁরে।

নয়ন তারার নয়ন মনি
নয়নে এঁকেছি যারে।
নয়নাভিরাম দৃষ্টি দিয়ে
দেখিবো বলে তাঁরে।

হৃদয় গহীনে তারি আসন
রেখেছি যতন করে।
আসনে মোর সোনার পাখি
বাসা বাঁধিবে বলে।

কোথায় আছে সেই সে পাখি
কেউ বল না মোরে।
সকাল সন্ধ্যা পথ চেয়ে থাকি
কখন আসিবে ঘরে।

আপন ভাবিয়া আপন নীড়ে
আসনা আপন নীড়ে।
আপন হৃদয় খুলিয়া রেখেছি
আপনে বাঁধিবো বলে।


  1. মোঃজুনায়েদ আল হাবিব
  1. ইংরেজি বিভাগ (চতুর্থ বর্ষ)
  1. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় 



রবিবার, ২ জুন, ২০১৯

প্রবীর রায় কবির কবিতা ।



পাহারাদার 



                     প্রবীর রায়



গহীন সমুদ্র বিশাল তার গহ্বর
গর্ভ জলহীন তবু ও প্রাণ সঙ্কটে
সুবিস্তৃত তীর বক্ষভাগ কঙ্কালসার
দিগ্বিদিকে ধ্রুবতারার কান্নাকাটি
প্রাণ ফেরাতে অমরতরু ও ব্যর্থ
নিম গাছের ডালে শকুনির বাসা
সুধা বিকোচ্ছে আজকের কীটাণু
মিষ্টতা ছেড়ে তেতোতে পিঁপড়ের ভীর
চুষে খাচ্ছে ঘিলু,রক্তে অ্যান্টিবডি--
একটি কান্নারত শিশু মাঝি,পাহারাদার
ধুলো আর রক্ত খাচ্ছে আপনমনে
বিষণ্ণ হয়ে খুঁজছে, কিন্তু কেউ নেই কোত্থাও।

শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৯

কবি পারভেজ আলীর কবিতা

কতদিন অার চুষে খাবে শ্রমিকদের রক্ত?" _______________পারভেজ অালী


বিস্তারিত www.banglasahittos.blogspot.com


(২০/০৫/১৯)



অার কত দিন বাংলাদেশ,
চুষে খাবে রক্ত শ্রমিকদের ;
যে শ্রমিকের রক্ত দিয়ে -
এগিয়ে চলেছে সোনার দেশ;
সেই শ্রমিকের রক্ত দিয়ে -
দিন দিন বেড়ে চলেছে বেতন-
সরকারি চাকুরীজীবিদের।
এর নাম কি বাংলাদেশ?
এটা কি মোদের লালা-সবুজের দেশ?
ভেবেও ভাবতে অবাক লাগে,
করছো দেশের উন্নতি, করো-
তাই বলে শ্রমিকদের রক্ত চুষে খাচ্ছ কেন?
একজন রাঁধুনী'র বেতন ৮৪হাজার
অার একজন শ্রমিকের বেতন -
এক ব্যাগ রক্তের সমান;
এর নাম কি বাংলাদেশ?
রূপপুরের উন্নয়ন হবে,
এগিয়ে যাবে সোনার দেশ,
বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে -
লাল-সবুজের বাংলাদেশ।
তাই বলে এতো বৈষম্য কেন?
ও পাবনার রূপপুর!
শ্রমিকেরা দেখবে না তোমার বাইরের রূপ,
এ রূপের সাথে তাল মিলে -
বাড়িয়ে ফেলেছো অামলাদের লক্ষ লক্ষ বেতন,
এ সরকারি অামলাদের বেতন পুরন করবে-
লক্ষ শ্রমিকদদের চুষে খাওয়া রক্ত দিয়ে এখন।
অার কতদিন বাংলাদেশ?
রক্ত চুষে খাবে শ্রমিকদের,
এটা কি মোদের সোনার দেশ।
কতদিন অার চুষে খাবে শ্রমিকদের রক্ত,
অার কতদিন লুট করবে বাংলার মানুষের অর্থ।
কিসের এত ভেদাভেদ?
কিসের এত বৈষম্য?
কেউ মরবে বিল ছেচে,
অার কেউ খাবে কৈ...
এটা কিভাবে রূপপুরে হয়?
বেড়ে চলেছে বাংলার শক্তিশালী সম্পদ,
উন্নত হচ্ছে দেশ, অার শ্রমিকদের রক্ত চুষে
বেতন বাড়ানো হচ্ছে সরকারি অামলাদের।
এর নাম কি বাংলাদেশ?
রূপপুরের উন্নয়ন হচ্ছে, হোক -
তই বলে একজন অামলার বেতন ৪লক্ষ কেন?
এক জন রাধুনী'র বেতন ৮৪হাজার কেন?
লক্ষ লক্ষ তাদের বেতন বাড়িয়ে -
গলা টিপে মারছো শ্রমিকদের।
অার কতদিন বাংলাদেশ?
দ্যাখো দেশ,দ্যাখো, চেয়ে দ্যাখো-
বালিশে ঢুকছে রূপপুরের শত শত অর্থ;
এভাবে অার কতদিন?
চুষে খাবে রক্ত শ্রমিকদের।
রূপপুরের বেতন কমিয়ে -
চাহিদা মেটাও ভুক্তভোগী শ্রমিকের।
এর নাম কি বাংলাদেশ?
------------------------------------------------------
নামঃ মোঃ পারভেজ অালী,
ইংরেজি বিভাগ, ২য় বর্ষ;
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা।

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৯

মনালিমনালি বসু#


আজ আমি তোমার থেকে
শত সহস্র   ক্রোশ দূরে
ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে
তোমার স্বপ্ন তোমার দরজায় এসে
কড়া নাড়ছে।
তোমার ঘুমন্ত মুখে 
সূর্যের আলোর প্রথম পরশ
চুম্বন এঁকে দিয়ে যাক। 
তোমার শ্রান্ত পদযুগল
একটু হলেও বিশ্রাম পাক। 
তোমার অবিরত ব�¦

 বসু


আজ আমি তোমার থেকে
শত সহস্র   ক্রোশ দূরে
ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে
তোমার স্বপ্ন তোমার দরজায় এসে
কড়া নাড়ছে।
তোমার ঘুমন্ত মুখে 
সূর্যের আলোর প্রথম পরশ
চুম্বন এঁকে দিয়ে যাক। 
তোমার শ্রান্ত পদযুগল
একটু হলেও বিশ্রাম পাক। 
তোমার অবিরত ব�¦

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৯

মোহাম্মদ ইমন হোসেন কবির কবিতা

মায়াবতী


মোহাম্মদ ইমন হোসেন


সংসারে সংগ্রামী ভুবনে সাথী দুজন,ভালোবাসায় রাঙিয়ে দিব রঙিন ভুবন।আলতা মাখা পায়ে, জোস্না মাখা গায়েআসবে কী সখি আবেগী মনপাড়ায়?
নিভু নিভু ঠোঁটে, আস্তে আস্টে-পিষ্টেশুষে নিবে কী প্রেয়সীর ভাষায়?ছুটে যাব কাছে, একলা পথে কষ্টে বাসবে কী ভালো, আসবে কী ফিরে এই ধোঁয়াটে নষ্টে?
ভালোবাসি তাকে, ভালোবাসব মিটিমিটি ছায়ায়,যখন আসবে ফিরে সখি ভালবাসার মায়ায়।খুজে নিব তাকে পাওয়া না পাওয়ায়,নিস্তব্ধ পথে আমায় কে ফেরায়?
জ্বলবে কী আলো প্রেমের ভুবন জুড়ে?ছুটবে কী মন এই স্বপ্নিল পথ ফুড়ে?আজ একলা নদীর পাড়ে সোহাগ মাখা গায়ে,#মায়াবতী ছুটে চলে আলতা মাখা পায়ে।


২০ মে, ২০১৯; সকাল ৮:৩০

কবি মোহাম্মদ ইমন হোসেন

মায়াবতী


মোহাম্মদ ইমন হোসেন,



সংসারে সংগ্রামী ভুবনে সাথী দুজন,
ভালোবাসায় রাঙিয়ে দিব রঙিন ভুবন।
আলতা মাখা পায়ে, জোস্না মাখা গায়ে
আসবে কী সখি আবেগী মনপাড়ায়?

নিভু নিভু ঠোঁটে, আস্তে আস্টে-পিষ্টে
শুষে নিবে কী প্রেয়সীর ভাষায়?
ছুটে যাব কাছে, একলা পথে কষ্টে 
বাসবে কী ভালো, আসবে কী ফিরে এই ধোঁয়াটে নষ্টে?

ভালোবাসি তাকে, ভালোবাসব মিটিমিটি ছায়ায়,
যখন আসবে ফিরে সখি ভালবাসার মায়ায়।
খুজে নিব তাকে পাওয়া না পাওয়ায়,
নিস্তব্ধ পথে আমায় কে ফেরায়?

জ্বলবে কী আলো প্রেমের ভুবন জুড়ে?
ছুটবে কী মন এই স্বপ্নিল পথ ফুড়ে?
আজ একলা নদীর পাড়ে সোহাগ মাখা গায়ে,
#মায়াবতী ছুটে চলে আলতা মাখা পায়ে।

- মোহাম্মদ ইমন হোসেন,
২০ মে, ২০১৯; সকাল ৮:৩০

রবিবার, ১৯ মে, ২০১৯

রোজার শিক্ষা (রাকিবুল ইসলাম রকি)

রোজার শিক্ষা            (রাকিবুল ইসলাম রকি)

সারাদিন না খেয়ে থাকি রোজা থাকার ছলে । 
নামাজ-কালাম দিয়ে ফাঁকি রোজা টা বিফলে । 
শুধুশুধু উপাস থেকে কি লাভ আছে তাতে ?
পাপকাজ কি যাবে ঢেকে এইযে রোজাটাতে?

পুণ্য অর্জন করার চেয়ে পাপ অর্জন'ই হবে ।
এত এত সুযোগ পেয়ে জানি বুঝি কবে ?
গালিগালাজ, মিথ্যা কথা রোজা থেকে বলি ।
আরো কত অন্যায় যথা পাপ পূর্ণ সকলি ।
কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করি যা দর্শন উচিৎ নয় ।
মন্দ কাজে জড়াই পড়ি তবে কি এই রোজা হয়?
রোজা মানে মন্দ থেকে বিরত থাকতে হয় ।
সারাদিন না খেয়ে থেকে আল্লাহ্‌র প্রতি ভয় । 
রোজা মানে খোদার হুকুম যথাযথ মানা ।
রোজা থেকে চাকুম-চুকুম করবেনা কেউ খানা ।

রোজার শিক্ষা অন্যায় থেকে সঠিক পথে ফেরা।
রোজাদার তাই অন্যায় ঢেকে শান্তিধামে ঘেরা। 

                                      ,,, এক রকি
                                                   ১৬-০৪-২০১৯
                                            দুপর ০১:৩০মি. 

শনিবার, ১৮ মে, ২০১৯

সুরঞ্জীত্ গাইন ভারত জননী






বিরাট পাখি




প্রভু তুমি আকাশ নীড়ে একটি বিরাট পাখি;
শূন্য ঘরে জেগে থাকো মেলে করুণ আঁখি।
আমরা তোমার শাবক ছানা এই বিশ্ব বাসী;
হেথায় মোদের নিত্য সাথী কান্না আর হাসি।
সুখ-দুঃখ তোমারি দান হে জগৎ স্বামী;
জন্ম-মৃত্যু স্রোতে ভাসে ভুবন দিবস যামী।
নিত্য তোমার অভয় পাই শাস্ত্র বাণীর দ্বারা;
ধর্ম পথে থাকে যে, সে হয়না তোমায় হারা।
কত পাপ আমরা করি প্রভু তুমি তাও;
আদর দিয়ে স্নেহ দিয়ে বক্ষে টেনে নাও।
তোমার মত উদার কেহ ত্রিভুবনে নাই;
শত অপরাধ ক'রেও মোরা তোমার ক্ষমা পাই।



সুরঞ্জীত্ গাইন



       ভারত জননী




ভারত জননী ভারত জননী
বিশ্ব মোহিনী মাতা।
গৌরব শালিনী শত ফুল মালিনী
দুঃখ ভয় ত্রাতা।।
মঙ্গল কলস সন্ধ্যা দিবস
হস্তে করেছো ধারণ;
নির্মল জলে শস্য সুফলে
ক্ষুধা তৃষ্ণা করেছো নিবারণ।
বিশ্ব পূজ্যা তুমি পরমাদৃতা।।
সুরঞ্জীত্ গাইন
  নজরুল চরিতামৃত
ভারতের বর্ধমান
গ্রাম চুরুলিয়া।
জন্মিলা মহামানব
নাম দুখুমিয়া।।
তাহার মহিমা আমি
কি বর্ণিব আর।
আদি অন্তহীন সেযে
অনন্ত অপার।।
মহাকাশ মহাসিন্ধু
বিশ্বে যাহা কিছু।
ভক্তিভরে তারকাছে
করে মাথা নিচু।।


  সুরঞ্জীত্ গাইন


      ভারত নিন্দাকারী



ভারত নিন্দাকারীর জিহুবা
যেন খ'সে পড়ে ভগবান;
নির্বাক হ'য়ে ফেরে যেন
সেই সব শয়তান।
ভারতেরে যারা ভালোবাসে
আমি তাদের ভালোবাসি;
তাদের দুঃখে কাঁদি আমি
তাদের সুখে হাসি।
ভারতের যারা করে অপমান
তারা ধর্মের দুশমন;
তরবারি দিয়ে ছেদ করো প্রভু
তাদের উদ্ধত গর্দান!।
ভারত নহে কারও একার জননী,
ভারত বিশ্ব মাতা;
সবার তরে তাহার স্নেহের
আঁচল খানি পাতা।



সুরঞ্জীত্ গাইন 



             ঠিকানা
           সুরঞ্জীত্ গাইন
C/O    তপন গাইন
গ্রাম    সাহেবেরাবাদ
পোষ্ট    সাহেবেরাবাদ
থানা    দাকোপ
জেলা    খুলনা
          বাংলাদেশ
মোবাইল  +88017013
কবি পরিচিতি
সুরঞ্জীত্ গাইন
জন্ম 1984 সালের 8 অক্টোবর। বাংলাদেশের খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার সাহেবেরাবাদ গ্রাম। মাতা লীলা গাইন। পিতা তপন গাইন।
দাকোপ সাহেবেরাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পঞ্চম শ্রেণী উত্তীর্ণ। দাকোপ সাহেবেরাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে অষ্টম শ্রেণী। ভারতের পশ্চিম বঙ্গের হেড়োভাঙ্গা বিদ্যাসাগর বিদ্যামন্দির হতে মাধ্যমিক। গোবরডাঙ্গা কলেজিয়েট হাইস্কুল হতে ঊচ্চমাধ্যমিক।
বাংলাদেশ ও ভারত হতে কাব্য সাধনায় প্রশংসিত ও অভিনন্দিত।

মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০১৯

অবৈধ অন্ধকার সমাজ অনুপ কুমার সরকার





অবৈধ অন্ধকার সমাজ



অনুপ কুমার সরকার 





যে মেয়েটি ভূমিষ্ঠ হয়েছিল ,
অন্ধকারের জাল ছিঁড়ে প্রভাতের সূর্যোদয় দেখবে বলে ।
সেই মেয়েটিকে ধর্ষিত হতে হল ,
কালো সমাজের অন্ধকার চরিত্রের কাছে ।
লালসার শিকার হচ্ছে তখনই পুতুল খেলার বয়সী কিশোরী ; 
ধতুচক্র শুরু হওয়াটাও খানিক ক্রোশ তবুও দেরী।
অন্ধকারের তলানিতে তখন থিতিয়ে পড়েছে অবৈধ সামাজিক সম্পর্ক ।
গিলে খায় তাদের সুন্দর শৈশবের গল্পগুলো ।
হত্যা করেছে তার নারী হওয়ার সূচনালগ্ন ,
হত্যা করেছে তার নারীত্বকে ।

ঐ সমস্ত মানুষের আড়ালে থাকে একটা ভিলেন চরিত্র ।
ভদ্রতার মুখোশধারী রক্ত মাংসের শরীরের ভিতরে বেঁচে আছে ,
কলিজা ছিঁড়ে খাওয়া নরপিশাচ হিংস্র জানোয়ার ।


শেষ মুক্তির অপেক্ষা
অনুপ কুমার সরকার 

মায়া মোহ কাম সবাই যখন বিলুপ্তির পথে -
তখন শুধুই ক্লান্তির ছাপ চোখে মুখে ।
সব কিছুই তো গেছে , এখন চায় শুধু একটু শান্তি ।
সফলতার শেষ স্ট্যান্ডের আগেই গতি থমকে দাঁড়িয়েছে ।
তবুও , 
দেশভাগের দেশত্যাগের যন্ত্রণা মাঝে মাঝেই টুঁটি চেপে ধরে ।
এখনো সেসব কথা , দৃশ্য জ্বলজ্বল করে ওঠে ।
ইচ্ছা , চাওয়া পাওয়ার হিসেব চুকিয়ে - বিদায়ের ঘন্টাধ্বনি শুনতে পাওয়ার অপেক্ষা ।
এখনও অক্ষরে অক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে ।

চশমার ফ্রেমে মাতৃভূমি ছেড়ে আসার যন্ত্রণা গুলো এখনো লিপিবদ্ধ ।
একাত্তরের বেদনা-বিধুর দিনগুলি হৃদয়ের কোনায় কোনায় এখনো স্পষ্ট ।
কাজল কালো চুল গুলোয় পাক ধরেছে।
একাকীত্বের যন্ত্রণার কথা , ভাজ পরা কপালেও রয়েছে ।
চিন্তার ভাঁজগুলো শুধুই কপালের বক্ররেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় -
চোখে মুখে, শিরা উপশিরাতেও ।

শ্রাবণের মেঘের মতো শরীরের ভাজে ভাজে চিন্তার রূপরেখা সিঁড়ি বেয়ে , কল্পনার স্বর্গে রাত্রিযাপন করছে ।


অনুপ কুমার সরকার 
গ্রাম - দক্ষিণ চরলক্ষীপুর 
পোষ্ট - আইহো 
থানা + জেলা - মালদা 
পিন - 732121
9851747798
8670474251
anup.alibaba@gmail.com

বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৯

গাজী রায়হান বাংলাদেশী কবিতা

অরাজকতা 

গাজী রায়হান



আজকে বুকের গহীন জলে
খুন ভেসে যায়,
রক্ত ক্ষরণ হৃদ মাঝারে
খুব বেগে ধায়।

যায়না দেখা কষ্টটা মোর
বুক জুড়ে রয়,
বিশ্ব জুড়ে উষ্ণ তেজে
লূ হাওয়া বয়।

রাজারা সব গদীর মজায়
রয় পড়ে বেশ!
ফন্দি ফিকির দেখায় কত
দিন করে শেষ।

আইন গুলো টাকার কাছে
খুব অসহায়,
বড় বড় রাঘব বোয়াল
সব গিলে খায়।

গনতন্ত্রের অচল চাকা
ঘুরছে না আর,
স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা 
খাচ্ছে যে মার।

অরাজকে উঠছে জেগে
দেশ জুড়ে গুম,
আসছে না আর শান্তি সুখে
দু চোখে ঘুম।

রেষারেষি খুন আর ধর্ষণ
রোজ সমাচার,
এক তরফা চলছে শাসন
চলছে বিচার।

যায়না মানা এই অনিয়ম
নিজ দেশেতে,
হাঁক ছেড়ে ভাই সেজে ওঠো
বীর বেশেতে।

সব গুড়িয়ে নাও সাজিয়ে
নতুন করে,
উঠবে সেদিন দারুণ সুখে
বুকটা ভরে।

এই কামনায় আছে চেয়ে
চক্ষু দুটি, 
সত্য ন্যায়ের ফুল গুলো সব
উঠুক ফুঁটি।

গাজী রায়হান
হোসেনপুর
কালিগজ্ঞ
সাতক্ষীরা।

_______________________________________
রচনা 22-04-19

জয়ন্ত দেওঘরিয়া ভারতের একজন কবি । তার কবিতা ।

          'না রাখা থারা'





আলগোছে কথারা বৃষ্টি আনার মন্ত্র ভুলেছে।
যে গাছের চিমড়ো খোলসের গায়ে এক ফালি রোদ লেগে আছে একদিন সেই গাছটার ছায়াতলেই কথাগুলো দেওয়া...
এখনো ঝমঝমিয়ে বারিষ আসেনি,মেঘ নেই, শুনশান চারিদিক।
অথচ শঙ্খচিল কিংবা চাতকের দেহভঙ্গি অন্য রকম ইঙ্গিত যোগায়!
এখন মমির পচা দেহ গলে যাতায়াত করে একটি তৃষ্ণার্ত দিন ও রাত।
পিরামিড ঘিরে সবুজ জোনাকদের প্রতীক্ষা কখন পাবে সঞ্জীবনী এক ফোঁটা...
নিনাদ নেই আকাশে, যত্ন করে দেওয়া কথারা বৃষ্টি আনে না!
                   গাছেদের মাথা হেঁট।
            ______________________

জয়ন্ত দেওঘরিয়া
আনারা, পুরুলিয়া (প.ব./ ভারত)
পিন-৭২৩১২৬
ফোন-৬২৯৬৫২৭৯৪৭
তারিখ-২৪.০৪.১৯(ইং)

অর্পিতা মুখার্জী ( কবিতা )

৫/০৪/২০১৯

#মন কাঁদে









জরুরী নয়, আমার মন একমাত্র আমারই দুঃখে কাঁদবে...
মন তো কাঁদে কখনও কারণে আবার কখনও অকারণেই।

মন কাঁদে গাছ থেকে ঝরে পড়া মৃত গোলাপটার জন্য,
মন কাঁদে ঝড়ের মুখে পড়ে যাওয়া দিশাহীন উড়ন্ত পাখিটার জন্যেও।

মন কাঁদে এক পেট খিদে নিয়ে ধুলোমাখা গায়ে পথেই ঘুমিয়ে পড়া শিশুটার জন্য,
মন কাঁদে বাবার মৃতদেহের পাশে বসে বাবার ঘুম ভাঙার অপেক্ষায় থাকা বাচ্চা মেয়েটির জন্যেও।

মন কাঁদে মেঘলা আকাশের চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়া বৃষ্টির জন্য,
মন কাঁদে লাঠির আঘাতে নৃশংস ভাবে খুন হওয়া অসহায় কুকুর ছানাদের জন্যেও।

মন কাঁদে ধর্মের নামে পরস্পরের রক্ত নিয়ে হোলি খেলা সেই বোকাদের জন্য,
মন কাঁদে ব্যস্ত প্ল্যাটফর্মে বসে ক্ষুধার্ত সন্তানকে নিজের দুধ খাওয়াতে না ভোলা সেই পাগলিনীর জন্যেও।

মন কাঁদে প্রেমিকের দ্বারা প্রতারিত হওয়া সেই অসহায় প্রেমিকার জন্য,
মন কাঁদে জঙ্গল থেকে কেটে আনা সেই 'ফার ট্রি'-দের জন্যেও_
যারা বড়দিনের রাতে রানী সাজে আর পরদিনই সকালে আশ্রয় নেয় আবর্জনার স্তূপে।

মন কাঁদে খাঁচায় বন্দি আজকের বোবা পাখিটার জন্য_
গান গাওয়ার অপরাধে যে একদিন খাঁচার মালিকের লোভের স্বীকার হয়েছিল,
মন কাঁদে কালো রাতে অনিচ্ছায় বিবস্ত্র হওয়া সেই নারীর জন্যেও।

মন কাঁদে উত্তরের আশায় থাকা নিরুত্তর সেই প্রশ্নদের জন্য,
মন কাঁদে গ্রীষ্মের  দুপুরে নিজের গায়ে রোদ মেখে পথিককে ঠান্ডা ছায়া প্রদানকারী বড় গাছটার জন্যেও।

মন কাঁদে কুমারী মায়ের আস্তাকুঁড়ে ফেলে যাওয়া সদ্যোজাত র জন্য,
মন কাঁদে খিদের জ্বালায় রাস্তার কুকুরের সাথে মিলে ডাস্টবিন থেকে খাবার খোঁজা সেই মানুষ টার জন্যেও।

মন কাঁদে ফুলদানিতে শুকিয়ে আসা রজনীগন্ধার স্টিকের জন্য,
মন কাঁদে সেতারের ছিড়ে যাওয়া তারের জন্যেও।

মন কাঁদে বর্ষার রাতে বৃষ্টিতে একলা ভেজা রাস্তাটার জন্য,
মন কাঁদে মনের কোণে জমে থাকা না বলা কথাদের জন্যেও।

মন কাঁদে শীতের দুপুরে এক চিলতে মিঠে রোদের জন্য,
মন কাঁদে সারারাত জেগে থাকা ওই একলা চাঁদটার জন্যেও।

মন কাঁদে সদ্য সন্তান হারা মায়ের খালি কোলের জন্য,
মন কাঁদে অনেক ঠিকের মধ্যেও করে ফেলা ছোট্ট  একটা ভুলের জন্যেও।

মন কাঁদে ভুল সময়ে ভুল লোককে ভুল করে ভালোবাসার জন্য,
মন কাঁদে ভেঙে যাওয়া বিশ্বাস আর নিহত আশার জন্যেও।

মন কাঁদে ডায়েরীর বিবর্ণ পাতায় লিখে রাখা কবিতাদের জন্য
মন কাঁদে প্রতিদিন মরেও বেঁচে থাকার অভিনয় করার জন্যেও।।

...অর্পিতা মুখার্জী (Arpi) ...

বাংলার বুকে ( কবিতা ) -----নবীন মণ্ডল

বাংলার বুকে
   -----নবীন মণ্ডল



পাখির কূজন প্রাতঃকালে
    ঘুমটি ভাঙে সুখে
কোমল হাওয়া হৃদয় তলে 
    আদর হ'য়ে মাখে।
দিগন্ত রাঙা প্রভাত হাসি
    সূর্য ডোবার বেলা
পাখপাখালি করে কাকলি 
   ঘরে ফেরার খেলা।
বাংলার রূপ বাংলার বুক 
  প্রকৃতি ভরা শোভায়
বিচিত্র রূপ মাঠ ভরা ক্ষেত
   পদ্ম শালুক ডোবায়।
বাংলার চাষি কত হাসি খুশি
    দুখের মাঝেও সুখ
গরু লয়ে মাঠে যায় সারা দিন কাটে
    রাখে বাংলার মুখ।
 সরোবর শোভা সরোজ মরাল 
   চলা শাপলা ফোটা দুল
দীঘি ভরা জল করে ছলছল
     নীলাভ ছাপায় কূল।
কত ফুল ফোটে শোভা সৌন্দর্যে
     বকুল শিউলি কাঞ্চন
অশোক পলাশ কৃষ্ণচূড়ায় 
   সাজায় প্রকৃতির অঞ্জন।
নীরব দুপুর বেণু বনে 
     বাজে মর্মর ধ্বনি---
দখিন হাওয়ায় কর্কট আওয়াজ, 
      ঘুঘুর ডাক শুনি।
অচেনা পাখি জলকেলি করে 
     মাঠে জমা জলে
সারস সারসী সারি হয়ে বসে
       তৃণ ভূমি তলে।
সবুজ ঘেরা বন প্রান্তর 
     মুক্ত বায়ু ছড়ায়
আকাশ বুকে সুখের বিলাস 
   পরিযায়ী মন ভুলায়।
তপ্ত ফুটিফাটা মাঠে 
   ধুধু লু করে খেলা
পথিক বাটে মহীরুহ তলে 
  করে ছিন্ন পাতার দলা।
বৈকালিক সুর বাজে 
    নম্র তপন কিরণ
শিশু ভাব উথলিত মাঠ 
    আনন্দ কারণ।
 কুঁজো কাঁখে লয়ে যায়
    নব বালিকা বধূ
ছায়া জলে পড়ন্ত বেলা 
     দীর্ঘ হয় শুধু।
দিন আলো নেমে আসে
    তমা বুকে ঘনায়
মঙ্গল ধ্বনি বাজে কানে 
   ঐ দিগন্ত পাড়ায়।। 
     ----------------
প্রতিলিপি
২৫/০৪/২০১৯.
মহিষাদল।

শাকিল আহমেদ এর একটি কবিতা

      ( নগরীর বার্তা





মেঘবালা, তোমার নগরীতে যখন পড়লো আমার হাজার ভ্রমন করা অদ্ভুদ পা-
নগরী হইলো ভয়ংকর সুন্দর!
উষ্ণতায় নদ-তীরতম জ্বল জ্বল আকাশের নীরবতার সাক্ষী রইলো হাজারো ব্যর্থ প্রেমিকের হাহাকার ভরপুর তোমার নগরী।

মেঘবালা, ধুলিমাখা  অস্তিত্ব রইলো পূর্নতায় মিশে,
নগরীতে ছিলো না হাজারো প্রেমিকের বেলীফুল কিংবা শুভ বার্তা বাহক ডাকপ্রিয়ন, যা অশ্রুমাখা চিঠি পৌঁছেনি নগরীতে।
শিরায় স্রোত আর মনগড়া বিকৃত মস্তিষ্কে রাজ-অধিকার নয়তো রক্তিম চোখ গুলোর ভালোবাসা বুঝে নেবার বার্তা কে দেয় আমি ছাড়া?

মেঘবালা, আমার চোখের কানির্শ বেয়ে অশ্রু নামে, মগজে ঝড় উঠে-
মেঘবালা বার্তা খুঁজে পাবে কিংবা অর্থবহ?
তোমার নগরীর প্রত্যেক গলিতে যেখানে চিৎকার আসে হাজারো ব্যর্থ প্রেমিকের?


শাকিল আহমেদ।
মোবাঃ 01904524332।
ঢাকা, মিরপুর ১০

কবিতা

কবিতা-
* অপ্রেমিকার ঠিকানা*
.......................................



সাদা কালো স্বপ্নের জলছবিতে
অপ্রেমিকার দুঃখে ভেজে কাজল
বিশ্বাসের ছাই ওড়ে, স্বপ্নগুলোকে পুড়িয়ে;
দলা পাকানো কান্নাগুলো
ঘুমের শিরা কেটে,
দুঃখের তুলি দিয়ে আঁকে যাতনা।
চাওয়া পাওয়ার সীমানায়
শরীর ছুঁয়েছে দুঃস্বপ্নের ঘুম;
মায়াভরা পিশাচী বাসনায়,
ভালোবাসা আজও ক্ষয়েতে পারদর্শী।
রোদ ছায়ার খেলায়,
নষ্ট আজ অপ্রেমিকা;
তাই, মেঘের কাছে খুঁজে নিয়েছে নিজের দেশ
অপমৃত্যুর হাত ধরে, ছায়াপথের ঠিকানায়।
শুকনো গোলাপটা, এখন জীবাশ্ম আঁকড়ে বাঁচে.......
আর কলঙ্কগুলো, তারা ব্যঙ্গ করে হাসে।।

..............................সমাপ্ত...................................

হয় না শেষ ( কবিতা ) কৃপাণ মৈত্র


             হয় না শেষ  

       

          কৃপাণ মৈত্র





একটা সৃষ্টিছাড়া চর তারপর হাঁটু জল ।একটা
 বিশাল সবুজ প্রান্তর ,তোমার কুমারী মনের মতো
উদার আহ্বান, তারপর বাঁশবন ,তোমার কুমারী
 রহস্য, দুর্বোধ্য ।আরো দূর, আখের খেত যেখানে নরমস্পর্শ আলতোভাবে ছুঁয়ে যায় আমার শরীর। তবুও গন্তব্য নয়, নয় কাছে পাওয়া। তবুও অনেক পথ চড়াই উতরাই ।প্রতিপদে মনে হয় এবার পৌঁছানো গেছে নিশ্চয়।ঐতো দেবদারু, হাসনুহানা ,কদম, শিমুল আরো কত ফুল। গরু চরা মাঠে গোপাল কিশোর ।বটগাছে পাক খাওয়া দখিন বাতাস। ধান কাটা খড়ো সুবাস ।মাথার উপর লাগামহীন আকাশ ,পাখা বিস্তার জোড়বাঁধা টিয়ার স্বপ্ন বিচরণ ,শাকিলের খুনসুটি ।আরো দূর ,এখনো অনেক পথ। তোমার অপেক্ষায় সাঁঝের দ্বীপ জ্বালা তুলসীতলার পোড়াবাতির দিশা নিয়ে চলি নিরুদ্দেশের পথে ।
পথটা হয় না শেষ...rom,

Kripan Maitra
C/O- Bimal Singh
Vill+Post- Sutahata
Dist- Purba Medinipur
Pin- 721635
West Bengal
India
Phone- 9679309195

বিভিন্ন সাহিত্য পত্র পত্রিকায় ইমেইল এবং লেখা পাঠানোর ঠিকানা পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇👇👇👇👇👇👇👇👇

একঝাঁক পাখি প্রতিভা দে একঝাঁক পাখি যখন উড়ে যায় বুকে। কখন নীল কখন সবুজ, কখন ধুকে ধুকে। বিস্তারিত 👇 www.banglasahittos.blo...