Powered By Blogger

বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৯

গাজী রায়হান বাংলাদেশী কবিতা

অরাজকতা 

গাজী রায়হান



আজকে বুকের গহীন জলে
খুন ভেসে যায়,
রক্ত ক্ষরণ হৃদ মাঝারে
খুব বেগে ধায়।

যায়না দেখা কষ্টটা মোর
বুক জুড়ে রয়,
বিশ্ব জুড়ে উষ্ণ তেজে
লূ হাওয়া বয়।

রাজারা সব গদীর মজায়
রয় পড়ে বেশ!
ফন্দি ফিকির দেখায় কত
দিন করে শেষ।

আইন গুলো টাকার কাছে
খুব অসহায়,
বড় বড় রাঘব বোয়াল
সব গিলে খায়।

গনতন্ত্রের অচল চাকা
ঘুরছে না আর,
স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা 
খাচ্ছে যে মার।

অরাজকে উঠছে জেগে
দেশ জুড়ে গুম,
আসছে না আর শান্তি সুখে
দু চোখে ঘুম।

রেষারেষি খুন আর ধর্ষণ
রোজ সমাচার,
এক তরফা চলছে শাসন
চলছে বিচার।

যায়না মানা এই অনিয়ম
নিজ দেশেতে,
হাঁক ছেড়ে ভাই সেজে ওঠো
বীর বেশেতে।

সব গুড়িয়ে নাও সাজিয়ে
নতুন করে,
উঠবে সেদিন দারুণ সুখে
বুকটা ভরে।

এই কামনায় আছে চেয়ে
চক্ষু দুটি, 
সত্য ন্যায়ের ফুল গুলো সব
উঠুক ফুঁটি।

গাজী রায়হান
হোসেনপুর
কালিগজ্ঞ
সাতক্ষীরা।

_______________________________________
রচনা 22-04-19

জয়ন্ত দেওঘরিয়া ভারতের একজন কবি । তার কবিতা ।

          'না রাখা থারা'





আলগোছে কথারা বৃষ্টি আনার মন্ত্র ভুলেছে।
যে গাছের চিমড়ো খোলসের গায়ে এক ফালি রোদ লেগে আছে একদিন সেই গাছটার ছায়াতলেই কথাগুলো দেওয়া...
এখনো ঝমঝমিয়ে বারিষ আসেনি,মেঘ নেই, শুনশান চারিদিক।
অথচ শঙ্খচিল কিংবা চাতকের দেহভঙ্গি অন্য রকম ইঙ্গিত যোগায়!
এখন মমির পচা দেহ গলে যাতায়াত করে একটি তৃষ্ণার্ত দিন ও রাত।
পিরামিড ঘিরে সবুজ জোনাকদের প্রতীক্ষা কখন পাবে সঞ্জীবনী এক ফোঁটা...
নিনাদ নেই আকাশে, যত্ন করে দেওয়া কথারা বৃষ্টি আনে না!
                   গাছেদের মাথা হেঁট।
            ______________________

জয়ন্ত দেওঘরিয়া
আনারা, পুরুলিয়া (প.ব./ ভারত)
পিন-৭২৩১২৬
ফোন-৬২৯৬৫২৭৯৪৭
তারিখ-২৪.০৪.১৯(ইং)

অর্পিতা মুখার্জী ( কবিতা )

৫/০৪/২০১৯

#মন কাঁদে









জরুরী নয়, আমার মন একমাত্র আমারই দুঃখে কাঁদবে...
মন তো কাঁদে কখনও কারণে আবার কখনও অকারণেই।

মন কাঁদে গাছ থেকে ঝরে পড়া মৃত গোলাপটার জন্য,
মন কাঁদে ঝড়ের মুখে পড়ে যাওয়া দিশাহীন উড়ন্ত পাখিটার জন্যেও।

মন কাঁদে এক পেট খিদে নিয়ে ধুলোমাখা গায়ে পথেই ঘুমিয়ে পড়া শিশুটার জন্য,
মন কাঁদে বাবার মৃতদেহের পাশে বসে বাবার ঘুম ভাঙার অপেক্ষায় থাকা বাচ্চা মেয়েটির জন্যেও।

মন কাঁদে মেঘলা আকাশের চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়া বৃষ্টির জন্য,
মন কাঁদে লাঠির আঘাতে নৃশংস ভাবে খুন হওয়া অসহায় কুকুর ছানাদের জন্যেও।

মন কাঁদে ধর্মের নামে পরস্পরের রক্ত নিয়ে হোলি খেলা সেই বোকাদের জন্য,
মন কাঁদে ব্যস্ত প্ল্যাটফর্মে বসে ক্ষুধার্ত সন্তানকে নিজের দুধ খাওয়াতে না ভোলা সেই পাগলিনীর জন্যেও।

মন কাঁদে প্রেমিকের দ্বারা প্রতারিত হওয়া সেই অসহায় প্রেমিকার জন্য,
মন কাঁদে জঙ্গল থেকে কেটে আনা সেই 'ফার ট্রি'-দের জন্যেও_
যারা বড়দিনের রাতে রানী সাজে আর পরদিনই সকালে আশ্রয় নেয় আবর্জনার স্তূপে।

মন কাঁদে খাঁচায় বন্দি আজকের বোবা পাখিটার জন্য_
গান গাওয়ার অপরাধে যে একদিন খাঁচার মালিকের লোভের স্বীকার হয়েছিল,
মন কাঁদে কালো রাতে অনিচ্ছায় বিবস্ত্র হওয়া সেই নারীর জন্যেও।

মন কাঁদে উত্তরের আশায় থাকা নিরুত্তর সেই প্রশ্নদের জন্য,
মন কাঁদে গ্রীষ্মের  দুপুরে নিজের গায়ে রোদ মেখে পথিককে ঠান্ডা ছায়া প্রদানকারী বড় গাছটার জন্যেও।

মন কাঁদে কুমারী মায়ের আস্তাকুঁড়ে ফেলে যাওয়া সদ্যোজাত র জন্য,
মন কাঁদে খিদের জ্বালায় রাস্তার কুকুরের সাথে মিলে ডাস্টবিন থেকে খাবার খোঁজা সেই মানুষ টার জন্যেও।

মন কাঁদে ফুলদানিতে শুকিয়ে আসা রজনীগন্ধার স্টিকের জন্য,
মন কাঁদে সেতারের ছিড়ে যাওয়া তারের জন্যেও।

মন কাঁদে বর্ষার রাতে বৃষ্টিতে একলা ভেজা রাস্তাটার জন্য,
মন কাঁদে মনের কোণে জমে থাকা না বলা কথাদের জন্যেও।

মন কাঁদে শীতের দুপুরে এক চিলতে মিঠে রোদের জন্য,
মন কাঁদে সারারাত জেগে থাকা ওই একলা চাঁদটার জন্যেও।

মন কাঁদে সদ্য সন্তান হারা মায়ের খালি কোলের জন্য,
মন কাঁদে অনেক ঠিকের মধ্যেও করে ফেলা ছোট্ট  একটা ভুলের জন্যেও।

মন কাঁদে ভুল সময়ে ভুল লোককে ভুল করে ভালোবাসার জন্য,
মন কাঁদে ভেঙে যাওয়া বিশ্বাস আর নিহত আশার জন্যেও।

মন কাঁদে ডায়েরীর বিবর্ণ পাতায় লিখে রাখা কবিতাদের জন্য
মন কাঁদে প্রতিদিন মরেও বেঁচে থাকার অভিনয় করার জন্যেও।।

...অর্পিতা মুখার্জী (Arpi) ...

বাংলার বুকে ( কবিতা ) -----নবীন মণ্ডল

বাংলার বুকে
   -----নবীন মণ্ডল



পাখির কূজন প্রাতঃকালে
    ঘুমটি ভাঙে সুখে
কোমল হাওয়া হৃদয় তলে 
    আদর হ'য়ে মাখে।
দিগন্ত রাঙা প্রভাত হাসি
    সূর্য ডোবার বেলা
পাখপাখালি করে কাকলি 
   ঘরে ফেরার খেলা।
বাংলার রূপ বাংলার বুক 
  প্রকৃতি ভরা শোভায়
বিচিত্র রূপ মাঠ ভরা ক্ষেত
   পদ্ম শালুক ডোবায়।
বাংলার চাষি কত হাসি খুশি
    দুখের মাঝেও সুখ
গরু লয়ে মাঠে যায় সারা দিন কাটে
    রাখে বাংলার মুখ।
 সরোবর শোভা সরোজ মরাল 
   চলা শাপলা ফোটা দুল
দীঘি ভরা জল করে ছলছল
     নীলাভ ছাপায় কূল।
কত ফুল ফোটে শোভা সৌন্দর্যে
     বকুল শিউলি কাঞ্চন
অশোক পলাশ কৃষ্ণচূড়ায় 
   সাজায় প্রকৃতির অঞ্জন।
নীরব দুপুর বেণু বনে 
     বাজে মর্মর ধ্বনি---
দখিন হাওয়ায় কর্কট আওয়াজ, 
      ঘুঘুর ডাক শুনি।
অচেনা পাখি জলকেলি করে 
     মাঠে জমা জলে
সারস সারসী সারি হয়ে বসে
       তৃণ ভূমি তলে।
সবুজ ঘেরা বন প্রান্তর 
     মুক্ত বায়ু ছড়ায়
আকাশ বুকে সুখের বিলাস 
   পরিযায়ী মন ভুলায়।
তপ্ত ফুটিফাটা মাঠে 
   ধুধু লু করে খেলা
পথিক বাটে মহীরুহ তলে 
  করে ছিন্ন পাতার দলা।
বৈকালিক সুর বাজে 
    নম্র তপন কিরণ
শিশু ভাব উথলিত মাঠ 
    আনন্দ কারণ।
 কুঁজো কাঁখে লয়ে যায়
    নব বালিকা বধূ
ছায়া জলে পড়ন্ত বেলা 
     দীর্ঘ হয় শুধু।
দিন আলো নেমে আসে
    তমা বুকে ঘনায়
মঙ্গল ধ্বনি বাজে কানে 
   ঐ দিগন্ত পাড়ায়।। 
     ----------------
প্রতিলিপি
২৫/০৪/২০১৯.
মহিষাদল।

শাকিল আহমেদ এর একটি কবিতা

      ( নগরীর বার্তা





মেঘবালা, তোমার নগরীতে যখন পড়লো আমার হাজার ভ্রমন করা অদ্ভুদ পা-
নগরী হইলো ভয়ংকর সুন্দর!
উষ্ণতায় নদ-তীরতম জ্বল জ্বল আকাশের নীরবতার সাক্ষী রইলো হাজারো ব্যর্থ প্রেমিকের হাহাকার ভরপুর তোমার নগরী।

মেঘবালা, ধুলিমাখা  অস্তিত্ব রইলো পূর্নতায় মিশে,
নগরীতে ছিলো না হাজারো প্রেমিকের বেলীফুল কিংবা শুভ বার্তা বাহক ডাকপ্রিয়ন, যা অশ্রুমাখা চিঠি পৌঁছেনি নগরীতে।
শিরায় স্রোত আর মনগড়া বিকৃত মস্তিষ্কে রাজ-অধিকার নয়তো রক্তিম চোখ গুলোর ভালোবাসা বুঝে নেবার বার্তা কে দেয় আমি ছাড়া?

মেঘবালা, আমার চোখের কানির্শ বেয়ে অশ্রু নামে, মগজে ঝড় উঠে-
মেঘবালা বার্তা খুঁজে পাবে কিংবা অর্থবহ?
তোমার নগরীর প্রত্যেক গলিতে যেখানে চিৎকার আসে হাজারো ব্যর্থ প্রেমিকের?


শাকিল আহমেদ।
মোবাঃ 01904524332।
ঢাকা, মিরপুর ১০

কবিতা

কবিতা-
* অপ্রেমিকার ঠিকানা*
.......................................



সাদা কালো স্বপ্নের জলছবিতে
অপ্রেমিকার দুঃখে ভেজে কাজল
বিশ্বাসের ছাই ওড়ে, স্বপ্নগুলোকে পুড়িয়ে;
দলা পাকানো কান্নাগুলো
ঘুমের শিরা কেটে,
দুঃখের তুলি দিয়ে আঁকে যাতনা।
চাওয়া পাওয়ার সীমানায়
শরীর ছুঁয়েছে দুঃস্বপ্নের ঘুম;
মায়াভরা পিশাচী বাসনায়,
ভালোবাসা আজও ক্ষয়েতে পারদর্শী।
রোদ ছায়ার খেলায়,
নষ্ট আজ অপ্রেমিকা;
তাই, মেঘের কাছে খুঁজে নিয়েছে নিজের দেশ
অপমৃত্যুর হাত ধরে, ছায়াপথের ঠিকানায়।
শুকনো গোলাপটা, এখন জীবাশ্ম আঁকড়ে বাঁচে.......
আর কলঙ্কগুলো, তারা ব্যঙ্গ করে হাসে।।

..............................সমাপ্ত...................................

হয় না শেষ ( কবিতা ) কৃপাণ মৈত্র


             হয় না শেষ  

       

          কৃপাণ মৈত্র





একটা সৃষ্টিছাড়া চর তারপর হাঁটু জল ।একটা
 বিশাল সবুজ প্রান্তর ,তোমার কুমারী মনের মতো
উদার আহ্বান, তারপর বাঁশবন ,তোমার কুমারী
 রহস্য, দুর্বোধ্য ।আরো দূর, আখের খেত যেখানে নরমস্পর্শ আলতোভাবে ছুঁয়ে যায় আমার শরীর। তবুও গন্তব্য নয়, নয় কাছে পাওয়া। তবুও অনেক পথ চড়াই উতরাই ।প্রতিপদে মনে হয় এবার পৌঁছানো গেছে নিশ্চয়।ঐতো দেবদারু, হাসনুহানা ,কদম, শিমুল আরো কত ফুল। গরু চরা মাঠে গোপাল কিশোর ।বটগাছে পাক খাওয়া দখিন বাতাস। ধান কাটা খড়ো সুবাস ।মাথার উপর লাগামহীন আকাশ ,পাখা বিস্তার জোড়বাঁধা টিয়ার স্বপ্ন বিচরণ ,শাকিলের খুনসুটি ।আরো দূর ,এখনো অনেক পথ। তোমার অপেক্ষায় সাঁঝের দ্বীপ জ্বালা তুলসীতলার পোড়াবাতির দিশা নিয়ে চলি নিরুদ্দেশের পথে ।
পথটা হয় না শেষ...rom,

Kripan Maitra
C/O- Bimal Singh
Vill+Post- Sutahata
Dist- Purba Medinipur
Pin- 721635
West Bengal
India
Phone- 9679309195

বিভিন্ন সাহিত্য পত্র পত্রিকায় ইমেইল এবং লেখা পাঠানোর ঠিকানা পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇👇👇👇👇👇👇👇👇

একঝাঁক পাখি প্রতিভা দে একঝাঁক পাখি যখন উড়ে যায় বুকে। কখন নীল কখন সবুজ, কখন ধুকে ধুকে। বিস্তারিত 👇 www.banglasahittos.blo...