Powered By Blogger

শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৯

কবি পারভেজ আলীর কবিতা

কতদিন অার চুষে খাবে শ্রমিকদের রক্ত?" _______________পারভেজ অালী


বিস্তারিত www.banglasahittos.blogspot.com


(২০/০৫/১৯)



অার কত দিন বাংলাদেশ,
চুষে খাবে রক্ত শ্রমিকদের ;
যে শ্রমিকের রক্ত দিয়ে -
এগিয়ে চলেছে সোনার দেশ;
সেই শ্রমিকের রক্ত দিয়ে -
দিন দিন বেড়ে চলেছে বেতন-
সরকারি চাকুরীজীবিদের।
এর নাম কি বাংলাদেশ?
এটা কি মোদের লালা-সবুজের দেশ?
ভেবেও ভাবতে অবাক লাগে,
করছো দেশের উন্নতি, করো-
তাই বলে শ্রমিকদের রক্ত চুষে খাচ্ছ কেন?
একজন রাঁধুনী'র বেতন ৮৪হাজার
অার একজন শ্রমিকের বেতন -
এক ব্যাগ রক্তের সমান;
এর নাম কি বাংলাদেশ?
রূপপুরের উন্নয়ন হবে,
এগিয়ে যাবে সোনার দেশ,
বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে -
লাল-সবুজের বাংলাদেশ।
তাই বলে এতো বৈষম্য কেন?
ও পাবনার রূপপুর!
শ্রমিকেরা দেখবে না তোমার বাইরের রূপ,
এ রূপের সাথে তাল মিলে -
বাড়িয়ে ফেলেছো অামলাদের লক্ষ লক্ষ বেতন,
এ সরকারি অামলাদের বেতন পুরন করবে-
লক্ষ শ্রমিকদদের চুষে খাওয়া রক্ত দিয়ে এখন।
অার কতদিন বাংলাদেশ?
রক্ত চুষে খাবে শ্রমিকদের,
এটা কি মোদের সোনার দেশ।
কতদিন অার চুষে খাবে শ্রমিকদের রক্ত,
অার কতদিন লুট করবে বাংলার মানুষের অর্থ।
কিসের এত ভেদাভেদ?
কিসের এত বৈষম্য?
কেউ মরবে বিল ছেচে,
অার কেউ খাবে কৈ...
এটা কিভাবে রূপপুরে হয়?
বেড়ে চলেছে বাংলার শক্তিশালী সম্পদ,
উন্নত হচ্ছে দেশ, অার শ্রমিকদের রক্ত চুষে
বেতন বাড়ানো হচ্ছে সরকারি অামলাদের।
এর নাম কি বাংলাদেশ?
রূপপুরের উন্নয়ন হচ্ছে, হোক -
তই বলে একজন অামলার বেতন ৪লক্ষ কেন?
এক জন রাধুনী'র বেতন ৮৪হাজার কেন?
লক্ষ লক্ষ তাদের বেতন বাড়িয়ে -
গলা টিপে মারছো শ্রমিকদের।
অার কতদিন বাংলাদেশ?
দ্যাখো দেশ,দ্যাখো, চেয়ে দ্যাখো-
বালিশে ঢুকছে রূপপুরের শত শত অর্থ;
এভাবে অার কতদিন?
চুষে খাবে রক্ত শ্রমিকদের।
রূপপুরের বেতন কমিয়ে -
চাহিদা মেটাও ভুক্তভোগী শ্রমিকের।
এর নাম কি বাংলাদেশ?
------------------------------------------------------
নামঃ মোঃ পারভেজ অালী,
ইংরেজি বিভাগ, ২য় বর্ষ;
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা।

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৯

মনালিমনালি বসু#


আজ আমি তোমার থেকে
শত সহস্র   ক্রোশ দূরে
ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে
তোমার স্বপ্ন তোমার দরজায় এসে
কড়া নাড়ছে।
তোমার ঘুমন্ত মুখে 
সূর্যের আলোর প্রথম পরশ
চুম্বন এঁকে দিয়ে যাক। 
তোমার শ্রান্ত পদযুগল
একটু হলেও বিশ্রাম পাক। 
তোমার অবিরত ব�¦

 বসু


আজ আমি তোমার থেকে
শত সহস্র   ক্রোশ দূরে
ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে
তোমার স্বপ্ন তোমার দরজায় এসে
কড়া নাড়ছে।
তোমার ঘুমন্ত মুখে 
সূর্যের আলোর প্রথম পরশ
চুম্বন এঁকে দিয়ে যাক। 
তোমার শ্রান্ত পদযুগল
একটু হলেও বিশ্রাম পাক। 
তোমার অবিরত ব�¦

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৯

মোহাম্মদ ইমন হোসেন কবির কবিতা

মায়াবতী


মোহাম্মদ ইমন হোসেন


সংসারে সংগ্রামী ভুবনে সাথী দুজন,ভালোবাসায় রাঙিয়ে দিব রঙিন ভুবন।আলতা মাখা পায়ে, জোস্না মাখা গায়েআসবে কী সখি আবেগী মনপাড়ায়?
নিভু নিভু ঠোঁটে, আস্তে আস্টে-পিষ্টেশুষে নিবে কী প্রেয়সীর ভাষায়?ছুটে যাব কাছে, একলা পথে কষ্টে বাসবে কী ভালো, আসবে কী ফিরে এই ধোঁয়াটে নষ্টে?
ভালোবাসি তাকে, ভালোবাসব মিটিমিটি ছায়ায়,যখন আসবে ফিরে সখি ভালবাসার মায়ায়।খুজে নিব তাকে পাওয়া না পাওয়ায়,নিস্তব্ধ পথে আমায় কে ফেরায়?
জ্বলবে কী আলো প্রেমের ভুবন জুড়ে?ছুটবে কী মন এই স্বপ্নিল পথ ফুড়ে?আজ একলা নদীর পাড়ে সোহাগ মাখা গায়ে,#মায়াবতী ছুটে চলে আলতা মাখা পায়ে।


২০ মে, ২০১৯; সকাল ৮:৩০

কবি মোহাম্মদ ইমন হোসেন

মায়াবতী


মোহাম্মদ ইমন হোসেন,



সংসারে সংগ্রামী ভুবনে সাথী দুজন,
ভালোবাসায় রাঙিয়ে দিব রঙিন ভুবন।
আলতা মাখা পায়ে, জোস্না মাখা গায়ে
আসবে কী সখি আবেগী মনপাড়ায়?

নিভু নিভু ঠোঁটে, আস্তে আস্টে-পিষ্টে
শুষে নিবে কী প্রেয়সীর ভাষায়?
ছুটে যাব কাছে, একলা পথে কষ্টে 
বাসবে কী ভালো, আসবে কী ফিরে এই ধোঁয়াটে নষ্টে?

ভালোবাসি তাকে, ভালোবাসব মিটিমিটি ছায়ায়,
যখন আসবে ফিরে সখি ভালবাসার মায়ায়।
খুজে নিব তাকে পাওয়া না পাওয়ায়,
নিস্তব্ধ পথে আমায় কে ফেরায়?

জ্বলবে কী আলো প্রেমের ভুবন জুড়ে?
ছুটবে কী মন এই স্বপ্নিল পথ ফুড়ে?
আজ একলা নদীর পাড়ে সোহাগ মাখা গায়ে,
#মায়াবতী ছুটে চলে আলতা মাখা পায়ে।

- মোহাম্মদ ইমন হোসেন,
২০ মে, ২০১৯; সকাল ৮:৩০

রবিবার, ১৯ মে, ২০১৯

রোজার শিক্ষা (রাকিবুল ইসলাম রকি)

রোজার শিক্ষা            (রাকিবুল ইসলাম রকি)

সারাদিন না খেয়ে থাকি রোজা থাকার ছলে । 
নামাজ-কালাম দিয়ে ফাঁকি রোজা টা বিফলে । 
শুধুশুধু উপাস থেকে কি লাভ আছে তাতে ?
পাপকাজ কি যাবে ঢেকে এইযে রোজাটাতে?

পুণ্য অর্জন করার চেয়ে পাপ অর্জন'ই হবে ।
এত এত সুযোগ পেয়ে জানি বুঝি কবে ?
গালিগালাজ, মিথ্যা কথা রোজা থেকে বলি ।
আরো কত অন্যায় যথা পাপ পূর্ণ সকলি ।
কুদৃষ্টি নিক্ষেপ করি যা দর্শন উচিৎ নয় ।
মন্দ কাজে জড়াই পড়ি তবে কি এই রোজা হয়?
রোজা মানে মন্দ থেকে বিরত থাকতে হয় ।
সারাদিন না খেয়ে থেকে আল্লাহ্‌র প্রতি ভয় । 
রোজা মানে খোদার হুকুম যথাযথ মানা ।
রোজা থেকে চাকুম-চুকুম করবেনা কেউ খানা ।

রোজার শিক্ষা অন্যায় থেকে সঠিক পথে ফেরা।
রোজাদার তাই অন্যায় ঢেকে শান্তিধামে ঘেরা। 

                                      ,,, এক রকি
                                                   ১৬-০৪-২০১৯
                                            দুপর ০১:৩০মি. 

শনিবার, ১৮ মে, ২০১৯

সুরঞ্জীত্ গাইন ভারত জননী






বিরাট পাখি




প্রভু তুমি আকাশ নীড়ে একটি বিরাট পাখি;
শূন্য ঘরে জেগে থাকো মেলে করুণ আঁখি।
আমরা তোমার শাবক ছানা এই বিশ্ব বাসী;
হেথায় মোদের নিত্য সাথী কান্না আর হাসি।
সুখ-দুঃখ তোমারি দান হে জগৎ স্বামী;
জন্ম-মৃত্যু স্রোতে ভাসে ভুবন দিবস যামী।
নিত্য তোমার অভয় পাই শাস্ত্র বাণীর দ্বারা;
ধর্ম পথে থাকে যে, সে হয়না তোমায় হারা।
কত পাপ আমরা করি প্রভু তুমি তাও;
আদর দিয়ে স্নেহ দিয়ে বক্ষে টেনে নাও।
তোমার মত উদার কেহ ত্রিভুবনে নাই;
শত অপরাধ ক'রেও মোরা তোমার ক্ষমা পাই।



সুরঞ্জীত্ গাইন



       ভারত জননী




ভারত জননী ভারত জননী
বিশ্ব মোহিনী মাতা।
গৌরব শালিনী শত ফুল মালিনী
দুঃখ ভয় ত্রাতা।।
মঙ্গল কলস সন্ধ্যা দিবস
হস্তে করেছো ধারণ;
নির্মল জলে শস্য সুফলে
ক্ষুধা তৃষ্ণা করেছো নিবারণ।
বিশ্ব পূজ্যা তুমি পরমাদৃতা।।
সুরঞ্জীত্ গাইন
  নজরুল চরিতামৃত
ভারতের বর্ধমান
গ্রাম চুরুলিয়া।
জন্মিলা মহামানব
নাম দুখুমিয়া।।
তাহার মহিমা আমি
কি বর্ণিব আর।
আদি অন্তহীন সেযে
অনন্ত অপার।।
মহাকাশ মহাসিন্ধু
বিশ্বে যাহা কিছু।
ভক্তিভরে তারকাছে
করে মাথা নিচু।।


  সুরঞ্জীত্ গাইন


      ভারত নিন্দাকারী



ভারত নিন্দাকারীর জিহুবা
যেন খ'সে পড়ে ভগবান;
নির্বাক হ'য়ে ফেরে যেন
সেই সব শয়তান।
ভারতেরে যারা ভালোবাসে
আমি তাদের ভালোবাসি;
তাদের দুঃখে কাঁদি আমি
তাদের সুখে হাসি।
ভারতের যারা করে অপমান
তারা ধর্মের দুশমন;
তরবারি দিয়ে ছেদ করো প্রভু
তাদের উদ্ধত গর্দান!।
ভারত নহে কারও একার জননী,
ভারত বিশ্ব মাতা;
সবার তরে তাহার স্নেহের
আঁচল খানি পাতা।



সুরঞ্জীত্ গাইন 



             ঠিকানা
           সুরঞ্জীত্ গাইন
C/O    তপন গাইন
গ্রাম    সাহেবেরাবাদ
পোষ্ট    সাহেবেরাবাদ
থানা    দাকোপ
জেলা    খুলনা
          বাংলাদেশ
মোবাইল  +88017013
কবি পরিচিতি
সুরঞ্জীত্ গাইন
জন্ম 1984 সালের 8 অক্টোবর। বাংলাদেশের খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার সাহেবেরাবাদ গ্রাম। মাতা লীলা গাইন। পিতা তপন গাইন।
দাকোপ সাহেবেরাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পঞ্চম শ্রেণী উত্তীর্ণ। দাকোপ সাহেবেরাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে অষ্টম শ্রেণী। ভারতের পশ্চিম বঙ্গের হেড়োভাঙ্গা বিদ্যাসাগর বিদ্যামন্দির হতে মাধ্যমিক। গোবরডাঙ্গা কলেজিয়েট হাইস্কুল হতে ঊচ্চমাধ্যমিক।
বাংলাদেশ ও ভারত হতে কাব্য সাধনায় প্রশংসিত ও অভিনন্দিত।

মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০১৯

অবৈধ অন্ধকার সমাজ অনুপ কুমার সরকার





অবৈধ অন্ধকার সমাজ



অনুপ কুমার সরকার 





যে মেয়েটি ভূমিষ্ঠ হয়েছিল ,
অন্ধকারের জাল ছিঁড়ে প্রভাতের সূর্যোদয় দেখবে বলে ।
সেই মেয়েটিকে ধর্ষিত হতে হল ,
কালো সমাজের অন্ধকার চরিত্রের কাছে ।
লালসার শিকার হচ্ছে তখনই পুতুল খেলার বয়সী কিশোরী ; 
ধতুচক্র শুরু হওয়াটাও খানিক ক্রোশ তবুও দেরী।
অন্ধকারের তলানিতে তখন থিতিয়ে পড়েছে অবৈধ সামাজিক সম্পর্ক ।
গিলে খায় তাদের সুন্দর শৈশবের গল্পগুলো ।
হত্যা করেছে তার নারী হওয়ার সূচনালগ্ন ,
হত্যা করেছে তার নারীত্বকে ।

ঐ সমস্ত মানুষের আড়ালে থাকে একটা ভিলেন চরিত্র ।
ভদ্রতার মুখোশধারী রক্ত মাংসের শরীরের ভিতরে বেঁচে আছে ,
কলিজা ছিঁড়ে খাওয়া নরপিশাচ হিংস্র জানোয়ার ।


শেষ মুক্তির অপেক্ষা
অনুপ কুমার সরকার 

মায়া মোহ কাম সবাই যখন বিলুপ্তির পথে -
তখন শুধুই ক্লান্তির ছাপ চোখে মুখে ।
সব কিছুই তো গেছে , এখন চায় শুধু একটু শান্তি ।
সফলতার শেষ স্ট্যান্ডের আগেই গতি থমকে দাঁড়িয়েছে ।
তবুও , 
দেশভাগের দেশত্যাগের যন্ত্রণা মাঝে মাঝেই টুঁটি চেপে ধরে ।
এখনো সেসব কথা , দৃশ্য জ্বলজ্বল করে ওঠে ।
ইচ্ছা , চাওয়া পাওয়ার হিসেব চুকিয়ে - বিদায়ের ঘন্টাধ্বনি শুনতে পাওয়ার অপেক্ষা ।
এখনও অক্ষরে অক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে ।

চশমার ফ্রেমে মাতৃভূমি ছেড়ে আসার যন্ত্রণা গুলো এখনো লিপিবদ্ধ ।
একাত্তরের বেদনা-বিধুর দিনগুলি হৃদয়ের কোনায় কোনায় এখনো স্পষ্ট ।
কাজল কালো চুল গুলোয় পাক ধরেছে।
একাকীত্বের যন্ত্রণার কথা , ভাজ পরা কপালেও রয়েছে ।
চিন্তার ভাঁজগুলো শুধুই কপালের বক্ররেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় -
চোখে মুখে, শিরা উপশিরাতেও ।

শ্রাবণের মেঘের মতো শরীরের ভাজে ভাজে চিন্তার রূপরেখা সিঁড়ি বেয়ে , কল্পনার স্বর্গে রাত্রিযাপন করছে ।


অনুপ কুমার সরকার 
গ্রাম - দক্ষিণ চরলক্ষীপুর 
পোষ্ট - আইহো 
থানা + জেলা - মালদা 
পিন - 732121
9851747798
8670474251
anup.alibaba@gmail.com

বিভিন্ন সাহিত্য পত্র পত্রিকায় ইমেইল এবং লেখা পাঠানোর ঠিকানা পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন 👇👇👇👇👇👇👇👇👇

একঝাঁক পাখি প্রতিভা দে একঝাঁক পাখি যখন উড়ে যায় বুকে। কখন নীল কখন সবুজ, কখন ধুকে ধুকে। বিস্তারিত 👇 www.banglasahittos.blo...